Agaminews
Dr. Neem Hakim

হালুয়াঘাটে বিচারের দাবীতে মানববন্ধন


audhamyabangla প্রকাশের সময় : মার্চ ১৯, ২০২৫, ৭:৩৭ অপরাহ্ন / ৯৭
হালুয়াঘাটে বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

হালুয়াঘাট প্রতিনিধি :
হালুয়াঘাটে বিজিবি সদস্যকে হত্যা চেষ্টায় আসামীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মিজানুর রহমানকে হত্যা চেষ্টার প্রধান আসামী পাবিয়াজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারসহ বাকি আসামীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে পূর্ব পাবিয়াজুড়ি এলাকার ঝর্ণা বেগম বলেন, গত মাসের ৬ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাঁর বাড়ির পাশে পূর্ব পাবিয়াজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ওয়াশ ব্লকের কাজ করছিল শ্রমিকেরা। নির্মাণাধীন ওয়াশ ব্লকের সঙ্গেই মিজানুর রহমানের ধানখেত। সেখানে লাগানো ধানগাছগুলো এ কাজের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বিষয়টি তিনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারকে অবহিত করলে তাঁর সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে আব্দুস সাত্তারের নির্দেশে শ্রমিকেরা দা, লাঠি ও রড নিয়ে মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। মিজানুরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর বোন হালিমা খানমকেও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তা ছাড়া মিজানুরের কলেজপড়ুয়া খালাতো ভাই হেমায়েত এগিয়ে এলে তাঁকেও আঘাত করা হয়। তিনি আরো বলেন, আব্দুস সাত্তার ওয়াশ ব্লকের মাটির বাজেটের টাকা আত্মসাৎ করে বিদ্যালয়ের মাঠের মাটি দিয়ে ওয়াশ ব্লকের কাজ করতে শ্রমিকদের নির্দেশ দেন। আমরা তার দ্রুত বিচার দাবি করছি।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একই এলাকার তোফায়েল আহমেদ বলেন, খুনি সাত্তার বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। বিদ্যালয় বাড়ির কাছে হওয়ায় প্রায় সময় বাড়িতে অবস্থান করে সাংসারের কাজ করেন। বিদ্যালয়ের নামে থাকা জমির অংশ আত্মসাৎ এর উদ্দেশ্যে তার নিজস্ব জমির সঙ্গে মিশিয়ে ফেলেছেন। তার কুকর্মে কেউ বাঁধা দিলে সে তার উপর চড়াও হতেন। বিজিবি সদস্য মিজানুর রহমানের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা তার বড় প্রমাণ।

নামাপাড়া এলাকার খলিলুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ, রাউটার, আসবাবপত্র আব্দুস সাত্তার তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে নিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য আসা অর্থ, কোন কাজ না করেই সে আত্মসাৎ করেছে। শুধু তাই নয়, এই বিদ্যালয়ের আগের প্রধান শিক্ষক আবুল কালামকে বিভিন্ন কোট কৌশলে সে বিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে নিজেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নেই বললেই চলে।
মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারসহ অন্য আসামীদের দ্রুত বিচারের দাবি করেন।
পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিমা আক্তার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর