প্রেস রিলিজ*
বাদীর দায়েরকৃত এজাহারে জানা যায় যে, নিহত প্রবাসী আলমগীর হোসেন স্থানীয় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করতেন। এই মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণে পরিকল্পিতভাবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫খ্রি. রাত অনুমান ২২০০ ঘটিকায় এজাহারনামীয় অভিযুক্তগণ বাদীর বাড়ি থেকে ভিকটিম আলমগীরকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম বাড়িতে ফিরে না আসলে পরিবারে লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে ভিকটিমকে না পেয়ে নান্দাইল থানায় সাধারণ ডায়ারি করেন। এ ঘটনার পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫খ্রি. নান্দাইল থানাধীন সংগ্রামখেলী বাজারের পাশ থেকে প্রবাসী আলমগীর হোসেনের বস্তাবন্দী মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় নিহত আলমগীরের মাতা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১৫, তারিখ-২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫খ্রি., ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। এ ঘটনার পর থেকে সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ছায়াতদন্তসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয়।
এরই প্রেক্ষিতে, সিপিএসসি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ মে ২০২৬খ্রি., রাত অনুমান ২২২০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানাধীন কালিয়াপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রবাসী আলমগীর হোসেন (৩০) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মোঃ রাজন মিয়া (২৬), জেলা-ময়মনসিংহ‘কে গ্রেফতার করে। তিনি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নান্দাইল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর মাদকবিরোধী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বাক্ষরিত/-
*সিনিয়র সহকারী পরিচালক*
মিডিয়া অফিসার
অধিনায়কের পক্ষে
আপনার মতামত লিখুন :