Agaminews
Dr. Neem Hakim

নদীভাঙনের করাল গ্রাসে রিংবাঁধ সহ শতশত বিঘা জমি,ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিলীন


audhamyabangla প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৭, ২০২৫, ৯:০১ অপরাহ্ন / ৩৮৯
নদীভাঙনের করাল গ্রাসে রিংবাঁধ সহ শতশত বিঘা জমি,ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিলীন

মোঃ কামরুল ইসলাম টিটু, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায়  বলেশ্বর ও ভোলা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে শত শত মানুষের জীবন ও সম্পদ। নদীর করাল গ্রাসে কয়েকবছরে রিং বাঁধসহ শতশত বিঘা আবাদি জমি, বসতঘর,গাছপালা এবং বিভিন্ন স্থাপনাসমূহ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এবং এখনোও বিলীন হচ্ছে।সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার হয়ে তেড়াবেকা ও বগী এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার রিং বাধের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর পানি প্রতিনিয়ত ভাঙনে রিং বাঁধ ধসে পড়ছে, ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ছে।ভুক্তভোগীরা  বলেন: “আমাদের জমি, ঘর,গাছপালা চোখের সামনে সব নদীতে চলে গেল। এখন আমরা পরিবার নিয়ে ,আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি আবার কখন কি হয়ে যায়। স্থানীয়রা আরও জানান, কয়েক বছর ধরে নদীভাঙন মারাত্মক রূপ নিলেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। মাঝে মাঝে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিও রিংবাঁধের ভেঙে যাওয়া জায়গা মেরামত করলেও তা দীর্ঘমেয়াদি হয়নি।স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ। জরুরি ভিত্তিতে টেকসই রিংবাধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে না নিলে অচিরেই এই এলাকার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি মানচিত্র থেকে মুছে গিয়ে নদীর সাথে বিলীন হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার সিংহ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।যাতে দ্রুত টেকসই রিং বাঁধ নির্মাণ হয়। এর আগেও উপজেলা প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে ভেঙ্গে যাওয়া রিংবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। আবারও সকলকে সাথে নিয়ে ভেঙে যাওয়া রিং বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা করবে উপজেলা প্রশাসন।উল্লেখ্য,জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির তোড়ে উপকূলীয় এলাকার নদীগুলোতে ভাঙন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।

Uncategorized বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর