
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির মিথ্যা মামলা দায়েরকারীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। বৃহস্পতিবার ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক আফজাল হোসেন দুপুর ১টায় এক আলোচনা সভায় বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি হওয়ায় এলাকার মানুষ জীবন জীবিকার পথ খুঁজে পেয়েছে। এই কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশের উন্নয়নে এই কয়লা খনি ব্যবহারের উদ্যোগ নেন। এই খনিতে প্রায় ৩ হাজার কর্মকর্তা-কমচারী ও চীনা শ্রমিক কাজ করছেন। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির সব নিয়ম মেনে কয়লা আহরনে তৎকালীন সময়ে টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। শুধু রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ওয়ান-ইলেভেন সরকার বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরবর্তীর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে আদালতকে প্রভাবিত করে নিজের নাম প্রত্যাহার করে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতকে ব্যবহার করতে থাকেন। বিগত তত্ত্ববাধয়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। ওই বছরের ৫ অক্টোবর খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবুল কাসেম ফকির।
বর্তমানে এই মামলাটি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যারা করেছেন তাদেরকে খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে এখনও আওয়ামী পন্থি কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তে চাকুরী করছেন। তারই ঐ সময় ইন্দন যুগিয়েছিল। বর্তমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে অনিয়ম দূর্নীতিতে ভরপুর কয়লা চুরির বিষয়ে যাদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছেন তারা নিজেরা মামলা থেকে মুক্তি পেতে নানা রকম তদবির করছেন। ঐ কয়লা চুরির সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে এখনই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। খনির দুর্নীতিবাজেরা এখনও অন্যান্য জায়গায় বড় পদে চাকুরী করছেন।
গত ২৭ নভেম্বর এ মামলা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ায় বলিষ্ট ও দক্ষ আইন জীবিদের ধন্যবাদ জানাই।
আলোচনা সভায় ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :