
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬খ্রিঃ বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বিবরণে জানা যায় যে, ধৃত অভিযুক্ত আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর (৩০) নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলায় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশুটি একই এলাকার বাসিন্দা ও পরিবারের একমাত্র কন্যা সন্তান। শিশুটির বাবা তাদের ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরে নিরুদ্দেশ। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো। গত কিছুদিন থেকে শিশুটির মা শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে ১৮ এপ্রিল ২০২৬খ্রিঃ মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মদন, নেত্রকোণায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। বাদী শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন গত ০২ অক্টোবর ২০২৫খ্রিঃ বিকাল অনুমান ১৫৩০ ঘটিকায় মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার পর ধৃত শিক্ষকের আদেশে ঝাড়ু দিয়ে মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদের বারান্দা পরিস্কার করতে থাকে। সেই মুহুর্তে ধৃত শিক্ষক শিশুটিকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে বলে বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নেত্রকোণা জেলার মদন থানায় মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-১৭, তারিখ-২৩ এপ্রিল ২০২৬খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী/২০২০) এর ৯(১) তৎসহ ৫০৬ পেনাল কোড। উক্ত ঘটনাটি ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত ও আলোচিত হয় ।ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেফতার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এই চাঞ্চল্যকর মামলার ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য ০৬ মে ২০২৬খ্রিঃ ভোর অনুমান ০৪১৫ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার সোনামপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর (৩০), জেলা-নেত্রকোণা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্বাক্ষরিত/-
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
মিডিয়া অফিসার
অধিনায়কের পক্ষে
আপনার মতামত লিখুন :