Agaminews
Dr. Neem Hakim

তেল নিতে আসা যুবককে ‘থাপ্পড়’ মারার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে


admin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ /
তেল নিতে আসা যুবককে ‘থাপ্পড়’ মারার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে



লালমনিরহাট সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬  
আপডেট: ০৮:৩৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তেল নিতে আসা যুবককে ‘থাপ্পড়’ মারার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আক্তার জাহান।


লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ ঘটনাটি ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

স্থানীয় সূত্র জানান, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় মোটরসাইকেলে তেল নিতে পারছিলেন না। তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চান। প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জের ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী নদী বলেন, ‍“আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি বিচার চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”


ঢাকা/সিপন/মাসুদ





Source link

Uncategorized বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর