প্রেস বিজ্ঞপ্তি
# গ্রেফতারকৃত আসামির বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়। তাকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ রাত অনুমান ২১০০ ঘটিকায় গাজীপুর জেলার সদর থানার সালনা বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানি এবং র্যাব-০১, সিপিএসসি, পোড়াবাড়ি, গাজীপুর ক্যাম্পের দক্ষ আভিযানিক দল।
১। ঘটনার বিবরণ ও বাদীর দেয়া তথ্যে জানা যায় যে, নিহত ভিকটিম ও ধৃত আসামি মাশরাফি ইসলাম পিয়েল গার্মেন্টসে কাজ করার সুবাদে উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। নিহত ভিকটিম ধৃত আসামিকে বিবাহের জন্য জোরাজোরি করে। ধৃত আসামি এজাহারনামীয় আসামিদের প্ররোচনায় বিবাহ করতে অস্বীকৃতি জানালে নিহত ভিকটিম ধৃত আসামির বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে পারিপার্শ্বিক চাপ ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ধৃত আসামি ভিকটিমকে বিবাহ করতে বাধ্য হয়। ধৃত আসামি নিহত ভিকটিমকে বিবাহ করলেও তার মাঝে ক্ষোভ রয়েই যায় এবং বিবাহিত স্ত্রীর ক্ষতিসাধন করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। পরে সুযোগ পেয়ে ঘটনার দিন গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬খ্রিঃ অনুমান সন্ধ্যা ১৮০০ ঘটিকায় ধৃত আসামিসহ এজাহারনামীয় আসমিরা কৌশলে ভিকটিমের ইফতারির খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয়। ভিকটিম তা টের পেয়ে ইফতারি খেতে অনীহা প্রকাশ করলে ধৃত আসামি কাঠের রুল দিয়ে মাথায় স্বজোরে আঘাত করাসহ কিল, ঘুষি দিয়ে বিষযুক্ত খাবার জোরপূর্বক খাইয়ে দেয়। ধৃত আসামিসহ এজাহারনামীয় আসামিরা নিহত ভিকটিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইতিমধ্যে ভিকটিমের পিতা জায়গীর হোসেন ওরফে জাকির (৪৮) সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে আসা মাত্রই আসামিরা ভিকটিমের লাশ রেখে পালিয়ে যায়। ময়নমসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত্যু ঘোষণা করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা জায়গীর হোসেন ওরফে জাকির (৪৮), পিতা-সফর উদ্দিন, সাং-দূর্গাশ্রম, থানা-মদন, জেলা-নেত্রকোণা হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার কেন্দুয়া থানার মামলার নং-০২, তারিখ-০২ মার্চ ২০২৬খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড। উক্ত মামলা রুজুর পর সদর কোম্পানি, র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ, ছায়াতদন্তসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের তৎপর হয়। এরই প্রেক্ষিতে আসামিকে গ্রেফতার করে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বাক্ষরিত/-
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
মিডিয়া অফিসার
অধিনায়কের পক্ষে
আপনার মতামত লিখুন :