
গতকাল ২৪ মার্চ ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিরপুর থানার অধীন আমলী আদালতের ৩৭ নম্বর মজলিসে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন জুডিশিয়াল ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব হাসিবুজ্জামান। তিনি “এথিস্ট ইন বাংলাদেশ” নামক একটি ওয়েবসাইটের প্রকাশক ও বিভিন্ন লেখকের বিরুদ্ধে মোঃ ফজলুল হক কর্তৃক দায়ের করা ধর্ম অবমাননার মামলাটি গ্রহণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই ম্যাগাজিন এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে অবমাননাকর, কটুক্তিকর ও কুৎসামূলক বক্তব্য ছাঁপানোর অভিযোগ রয়েছে। জুডিশিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে মামলাটি তদন্তের এবং প্রাথমিক তথ্য বিবরণী জমা দেবার নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ম্যাগাজিনটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে অবমাননাকর, কটূক্তিমূলক ও কুৎসামূলক লেখা প্রকাশের অভিযোগ রয়েছে। বিচারক হাসিবুজ্জামান মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলাটি তদন্ত করে প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলাটি ফৌজদারী দন্ডবিধি ১৮৬০ (সংশোধিত) আইনের ২৯৫ ধারার অধীনে গৃহীত হয়। মামলার আসামীর সংখ্যা উক্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের প্রকাশক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন সহ ১৬ জন। মামলার নম্বর–সি.আর-৩২৭/২০২৫ বলে জানা গেছে আদালত সূত্রে।
আসামীদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন– মোহাম্মাদ আব্দুল কাদের সুমেল, মোহাম্মাদ শামীম আল মামুন, জুবায়ের আহমেদ, মোঃ জাকির হোসাইন, মোঃ মিজানুর রাহমান, মোহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম জায়গীরদার, শাহরিয়ার এমডি নাফিস খান, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ফরিদ, মোঃ মাজহারুল ইসলাম, মুহাম্মাদ জাকির হোসাইন, মুনায়েম আহমেদ, গাজী মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মহিউদ্দীন মিয়া, আবুবকর সিদ্দিক, মোহাম্মাদ হাসান আহমেদ।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন মিয়া বলেন, “যদিও এই মামলাটির তদন্তভার আমাদের থানার ওপর বর্তানোর কথা নয়; তদুপরি এ ধরনের অভিযোগ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সাধারণতঃ সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে থাকে। অভিযোগের নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে।”
অন্যদিকে, “এথিস্ট ইন বাংলাদেশ”-এর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :