
নিজস্ব প্রতিবেদক: অবশেষে আড়ালের এক কৌশলী পরিচালকের পরিচালনায় মঞ্চস্থ হলো “ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব নির্বাচন” নাটক।নাটকের কুশীলব আর দর্শকদের অনেকে হয়তো বুঝতেই পারেননি কিভাবে কখন পক্ষকাল ব্যাপি মন্চায়নের করুণ সমাপ্তি হলো।তারপরও সুচারুরূপে মন্চায়ন সম্পন্নের দাবী প্রতিদ্বন্দ্বী তথা বিজয়ী পক্ষের।
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবটি শহরের একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং দীর্ঘকালব্যাপি প্রতিষ্ঠানটি সংবাদপত্র জগতসহ নানা সামাজিক কাজকর্মে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে।এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির আছে সর্বজন গ্রহণযোগ্য সুন্দর একটি গঠনতন্ত্র।পন্চাশের দশকের শেষভাগে রাজনৈতিক নানা জটিলতায় ক্লাবটি যখন অস্তিত্ব সংকটে পড়ে তখন এটির নানা ধনাত্মক গুণাগুণ বিচারে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সাময়িকভাবে এর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নেন।তখন থেকেই জেলা প্রশাসক পদাধিকার বলে ক্লাবটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে থাকেন।এটি তাঁর কর্মপরিধি বাড়ানো বা চাপিয়ে দেয়া কোন দায়িত্ব নহে।এবিষয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে থাকলেও ইহাই প্রকৃত ঘটনা।
গঠনতন্ত্র মোতাবেক ক্লাবের ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতিবছর ক্লাবের কর্মকর্তাগণ নির্বাচিত হয়ে থাকেন।প্রথামতে এবারও নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণা করা হয়।তবে দেশের বর্তমান উত্তপ্ত রাজনীতির তপ্ত হাওয়ার কিছুটা ক্লাবটির গায়ে লাগাতে নির্বাচন নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়।নানা ধরণের হুমকির প্রেক্ষিতে নির্বাচন সংক্রান্তে থানায় সাধারণ ডায়রী পর্যন্ত করা হয়।এছাড়া গঠনতন্ত্র সংশোধনের দাবীতে একাধিকবার বহিরাগত সাংবাদিকরা সম্প্রতি ক্লাবটি ঘেরাও করলে প্রশাসন তাদের দাবীর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেনি। এদিকে ক্লাবটির নির্বাচন নিয়ে নানা আনুষ্ঠানিকতা পালনে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা উল্লেখে প্রশাসন কমিশনকে primary class test করার ফলাফলের আঙিকে একটি পত্র জারী করলে অনেকে পত্রটিকে ক্লাবের সভাপতির একধরণের পক্ষপাতমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেন। অপরদিকে একটি পক্ষের মনোনয়ন পত্র দাখিলের নানা ব্যত্যয়কে উপজীব্য করে অন্যপক্ষ অতি সহজেই ঘায়েল করতে সক্ষম হয় প্রতিপক্ষকে।ফলে ভোটাভুটির কোন প্রয়োজন পড়েনি।কিন্তু তাই বলে থেমে থাকেনি ভোটাভুটি নিয়ে নানা কথাবার্তা।(চলবে)
আপনার মতামত লিখুন :