
নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্বে প্রকাশিত পর : এ যেন নাটকে পর্দা পড়ায় খানিকটা অবসরে দেখা দৃশ্যের সমালোচনা। দৃশ্যে যা দেখা গেল তাতে একটি পক্ষের হাত খালি অর্থাৎ তাদের ঝুলিতে মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু কাগজ ছাড়া আর কিছুই নেই।
তাদেরকে ‘যথা’ সময়ে প্রতিপক্ষ যথাস্থানে আটক করে রাখায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতকিছু ছিল তার সবই ম্যানুফেকচারিং ডেট অনুযায়ী এক্সপায়ার্ড হয়ে গেছে।এ নিয়ে সঙ্গত/অসঙ্গত কারণে অভিযোগও করতে পারেননি তারা। কর্তৃপক্ষের নিকট এমনি মেকি আর রসালো অনুযোগ তাদের।
অপরদিকে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগপত্র অন্যত্র দাখিল ঘটনাটি যে মালিকের অজান্তে পাকা সুপারীর লোভে পথ ভুলে গাছে উঠে পড়া তা স্পষ্ট।এসবই নাটকের রিহের্সালে প্রমোটারের বলা কথাগুলো বিজয়ী পক্ষের সাজানো এবং সাধারণ মানুষকে ধোকা দেওয়ার যৌথ অপকৌশল ছাডা কিছু নহে।অভিনয় যা হয়েছে এবং হচ্ছে তার সবই সংশ্লিষ্টরা নখদর্পণে জ্ঞাত।যেটুকু ব্যত্যয় তা হলো দৃশ্যপটে আগত নতুন যোগ হওয়া কুশীলবদের কয়েকজন কেবলই আনাডি।
তাদের আরো রিহের্সালের দরকার ছিল।নাটকে লাইটিংয়ের মাধ্যমে ভীতিকর আবহের যে অংশটুকু দেখানো হলো তাতে ক্লাবের গত হওয়া পেছন আবারো দৃশ্যমান হয়ে সামনে আসতে পারে।(চলবে)
আপনার মতামত লিখুন :