Agaminews
Dr. Neem Hakim

বই না পেয়ে স্কুলমুখী হচ্ছে না মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা


audhamyabangla প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ / ৬০৬
বই না পেয়ে স্কুলমুখী হচ্ছে না মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

ফজলুল হক ফকির ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি-
ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা ধোবাউড়ায় নবম দশম ও ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এখন পর্যন্ত নতুন বই আংশিক সরবরাহ করা হয়েছে । ফলে এই উপজেলার ১৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী বই পেলেও এখনো অধিকাংশই বই হাতে পায়নী শিক্ষার্থীরা। শুধু নবম ও দশম শ্রেণিতে নয়, অন্য ক্লাসের অবস্থাও প্রায় একই।

১ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী হাতে বই না পাওয়ায় তারা বিদ্যালয়মুখী হচ্ছে না। জানুয়ারি মাসের অর্ধেকের বেশি দিন চলে গেলেও বই না পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা হতাশা প্রকাশ করছে।

এই উপজেলা মাধ্যমিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,ধোবাউড়া উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় পনেরটি এবং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে দুইটি। এর বিপরীতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ২০২৫ সালে বইয়ের চাহিদা পাঠানো হলেও
উপজেলা মাধ্যমিক কার্যালয়ে বই বরাদ্দ একদম অপ্রতুল্য।

এই উপজেলায় আংশিক বই এসেছে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য। সপ্তম শ্রেণীর বই আসেনী একটিও। নবম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বই বরাদ্দ পেয়েছে আংশিক। গতকাল রবিবার পর্যন্তই একই পরিস্থিতি ছিল।

একই অবস্থা দাখিল পর্যায়ের মাদ্রাসাগুলোতেও। ধোবাউড়া উপজেলার ছয়টি দাখিল মাদ্রাসার জন্য বই পেয়েছে ৫% মাত্র এবং ১০ টি ইবতাদায়ীর জন্য একটি বইও আসেনী।

ধোবাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভার:) প্রাপ্ত নুরুল আমিন বলেন, এই উপজেলায় চাহিদার বিপরীতে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৩৭ শতাংশ এবং দাখিল মাদ্রাসা পর্যায়ে ৫ শতাংশ বই বরাদ্দ পেয়েছি। কমবেশি প্রায় দিনই বই বরাদ্দ পাচ্ছি এবং তা দ্রুত বিদ্যালয়গুলোতে বিতরণ করছি। আশা করি, বইয়ের সংকট দ্রতই দূর হবে।

একই অবস্থা প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল গুলোতেও। ধোবাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯০ টি। এছাড়াও বেসরকারি, এনজিও এবং কিন্ডারগার্ডেন রয়েছে অন্তত ৫৪ টি।

এসব বিদ্যালয়ে চলতি বছরের শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বই এর চাহিদা ছিল প্রায় ১,১৭০০০ হাজার। এর মধ্যে শিশু, প্রথম ,দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর মোট চাহিদার ১৭ শতাংশ বই পেলেও মেলনি বাকী ৮৩%।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভার:) ওমর ফারুক জানান, আমারা মোট ১৭ শতাংশ বই হাতে পেয়েছি। এসব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কিন্টারগাডেন ও বই প্রদান করা হয়েছে। বাকী ৮৩শতাংশ বই দ্রত হাতে পৌছাবে আশা রাখি। তবে বই আসার আগ পর্যন্ত বিকল্প পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর