Agaminews
Dr. Neem Hakim

পাকুন্দিয়া থানার সাবেক ওসি ও এসআইসহ ৩২ জনের নামে মামলা


audhamyabangla প্রকাশের সময় : জুন ১, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ / ৪১
পাকুন্দিয়া থানার সাবেক ওসি ও এসআইসহ ৩২ জনের নামে মামলা

মঞ্জুরুল হক মঞ্জু: কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ২০২২ সালের ৩ সেপ্টে¤^র বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে গুলিবর্ষনের ঘটনায় মামলা হয়েছে| মামলায় পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন ওসি সারোয়ার জাহান ও ১৪ জন এসআইসহ আওয়ামীলীগের ১৭ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা করা হয়েছে| এতে অজ্ঞাত আরো ৯০ থেকে ১১০ জনকে আসামি করা হয়েছে|গত ২৪মে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বাদি হয়ে কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ ন¤^র আমলি আদালতে এ মামলাটি করেন|আজ সোমবার (১জুন) দুপুরে আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম বুলবুল মামলাটি আমলে নিয়ে মামলাটি এফআইআর করার জন্য পাকুন্দিয়া থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন|মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন এসআই নাহিদ হাসান সুমন, শাহ কামাল, আরিফ, মিজান, মজিবুর রহমান, মো. আশরাফুল্লাহ, মিজানুর রহমান, মো. শহীদুল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আওলাদ হোসেন, আরশাদ মিয়া ও আশরাফ মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরো ২০ থেকে ৩০ জন|মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে দেশব্যাপি বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচী ছিল| ওই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পাকুন্দিয়ায় উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ সকল অঙ্গসঙ্গঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচীর আয়োজন করে| ওইদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পৌর এলাকার সৈয়দগাঁও চৌরাস্তায় এসে জমায়েত হন| অপরদিকে তৎকালীন ওসি সারোয়ার জাহানের নেতৃত্বে একদল এসআও পুলিশ সদস্য রাইফেল, শর্টগান, ঢাল, কাদুনে গ্যাস ও সাউন্ড গ্র্যানেডসহ পাকুন্দিয়া ব্র্যাক অফিসের সামনে অবস্থান নেয়|এজাহার সূত্রে আরো জানা যায়, এসময় পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এড. মো. জালাল উদ্দীন ˆসয়দগাঁও চৌরাস্তায় জমায়েত হওয়া দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বক্তব্য দিচ্ছিলেন| ঠিক তখনই ওসি সারোয়ার জাহান হত্যা করার উদ্দেশ্যে একদল পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পথসভার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে| এসময় ওসি সারোয়ার জাহানের শর্টগানের গুলিতে যুবদল নেতা আব্দুল জলিলের বাঁ চোখ গুরুতর জখম হয়| এসআই নাহিদ হাসান সুমনের শর্টগানের গুলিতে ছাত্রদল নেতা শ্রাবণের  বুকসহ সারা শরীর ঝাঝড়া হয়ে যায়| এসআই আরিফের শর্টগানের গুলিতে গোলাপের পেট ও বাঁ উরু মারাত্মক জখম হয়| এসআই শাহ কামাল যুবদল নেতা মোখলেছকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বাঁ হাতের কব্জি ভেঙ্গে ফেলে| এছাড়াও অন্যদের এলোপাতাড়ি গুলিতে বিএনপি ও অঙ্গসঙ্গঠনের শতাধীক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়| পরে আহতরা ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন|পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান বলেন, মামলার বিষয়টি শুনেছি| তবে আদালতের আদেশ এখনো হাতে পাইনি| পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে|

Uncategorized বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর