Agaminews
Dr. Neem Hakim

নালিতাবাড়ীতে গভীর করে নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণ করায় হুমকির মুখে বাঁধ


audhamyabangla প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ / ১০
নালিতাবাড়ীতে গভীর করে নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণ করায় হুমকির মুখে বাঁধ

মো:আজিনুর রহমান,নালিতাবাড়ী(শেরপুর) প্রতিনিধি:

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের বাতকুচি গ্রামে বাতকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন চেল্লাখালী নদীর বাঁধ নির্মাণ কাজে নদী খনন করে উত্তোলনকৃত বালু দিয়ে চলছে বাঁধ নির্মাণের কাজ। নদী খনন করে বাঁধ নির্মাণ করায় ভাঙ্গন রোধ হুমকির মূখে পড়েছে ।
ভাঙন ঠেকাতে বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে, ঠিক সেখানেই নদীর বুক খনন করে আরও গভীর করে উত্তোলিত বালু দিয়ে ভরা হচ্ছে জিওটেক্স বস্তা। সেই বালুভর্তি বস্তা দিয়ে নির্মাণে  করা হচ্ছে ভাঙ্গন রোধ বাঁধ। ফলে বাঁধটি টেকসই হওয়ার পরিবর্তে বর্ষায় মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে আরও ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। চেল্লাখালী নদীর তীর ভাঙ্গন রোধের এ বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে কাজ করছেন ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠান পীরলেস ভেঞ্চার লিমিটেড। নদী খনন করে বালু দিয়ে বাঁধ নির্মাণ কাজ করায় এলাকাবাসীর বাধার মুখে কাজটি সাময়িক বন্ধ হলেও পুনরায় একই কায়দায় চলছে কাজ। গত রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে বাতকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন চেল্লাখালী নদীর এ বাঁধ নির্মাণ কাজ চলাকালে তদারকির দায়িত্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাউকে পাওয়া যায়নি।বাতকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেকিকুড়া গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে বয়ে গেছে পাহাড়ি খরস্রোতা চেল্লাখালী নদী। প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে নদীর দুই পাড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। বিশেষ করে ২০২৪ সালের অক্টোবরের ভয়াবহ বন্যায় নদীর তীর ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ি শিশুদের একমাত্র পাঠশালা বাতকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় নদীর ভাঙনপ্রবণ অংশে একশ মিটার দীর্ঘ এই বাঁধ নির্মাণে গাছের খুঁটি, কাঠ ও বালুভর্তি জিওটেক্স বস্তা ব্যবহারের কথা রয়েছে।৫ হাজার ৪০০ বস্তার প্রতিটিতে ১৭৫ কেজি করে বাইরে থেকে বালু এনে জিওটেক্স বস্তা ভরাট করার কথা। স্থানীয়দের অভিযোগ এ ক্ষেত্রে বাঁধের নিচ থেকেই  ঠিকাদার স্কেভেটর দিয়ে নদী খনন করে উত্তোলিত সেই বালুই জিওটেক্স ব্যাগে ভরে বাঁধ নির্মাণের কাজ করছে। এতে ঠিকাদারের ব্যয় কমলেও বাঁধ ভাঙ্গনের মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পীরলেস ভেঞ্চার লিমিটেডের প্রতিনিধি আব্দুল মোতালেব নদী খনন করে উত্তোলনকৃত বালু বাঁধের কাজে ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, লেভেলিং ও ড্রেসিং কাজের জন্য কিছু বালু এখান থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে, এতে বাঁধের ক্ষতি হবে না।এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন করে এ ধরনের কাজের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তার অজান্তে হয়েছে।  খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

Uncategorized বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর