
প্রকাশিত: ২১:৫৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সংঘাত, খরা এবং ত্রাণ ঘাটতি ২০২৬ সালেও বিশ্বব্যাপী ক্ষুধাকে সংকটজনক পর্যায়ে রাখবে এবং বিশ্বের সবচেয়ে ভঙ্গুর দেশগুলোর কয়েকটিতে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা আরো বাড়তে পারে। ২০২৬ সালের খাদ্য সংকট বিষয়ক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উন্নয়ন ও মানবিক সংস্থাগুলোর একটি জোটের প্রকাশিত এই ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের দশম সংস্করণে বলা হয়েছে, গত এক দশকে তীব্র ক্ষুধা দ্বিগুণ হয়েছে এবং গত বছর এই প্রতিবেদনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গাজা ও সুদানে দুটি দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে।
২০২৫ সালে মোট ৪৭টি দেশ ও অঞ্চলের ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার উচ্চ মাত্রার সম্মুখীন হয়েছিল। অন্যদিকে হাইতি, মালি, গাজা, দক্ষিণ সুদান, সুদান এবং ইয়েমেনের কিছু অংশে ১৪ লাখ মানুষ বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল।
শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই বিশ্বজুড়ে ৩ কোটি ৫৫ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল, যার মধ্যে প্রায় এক কোটি শিশু গুরুতর তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির তীব্রতার মাত্রা সংকটজনকই রয়ে গেছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সামান্য উন্নতি এবং মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির কারণে শুধুমাত্র হাইতি সবচেয়ে খারাপ ‘বিপর্যয়কর’ পর্যায় থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রধান আলভারো লারিও বলেন, “আমরা এখন আর শুধু অস্থায়ী ধাক্কা দেখছি না, বরং সময়ের সাথে সাথে স্থায়ী ধাক্কা দেখছি।”
ঢাকা/শাহেদ
আপনার মতামত লিখুন :