প্রেস রিলিজ
গত ০৮ জুলাই ২০২৫খ্রি. দিবাগত রাতে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতি ও জোড়া ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত প্রধান পলাতক আসামি মোঃ কাশেম সাখিদার (৩০)-কে একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ জুন ২০২৬খ্রি. সন্ধ্যা অনুমান ১৯০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেছে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, বাদীর পিতা ভিকটিম আফতাব উদ্দিন ও ভায়ের স্ত্রী এবং ভাতিজি গত ০৮ জুলাই ২০২৫খ্রি. রাত অনুমান ১০:০০ ঘটিকায় দুপচাঁচিয়া থানার জিয়ানগর ইউনিয়নের লক্ষীমন্ডপ গ্রামে রাতের খাবার শেষে নিজ বসত ঘরে শুয়ে পড়ে। একই তারিখ দিবাগত রাত ১০:০০ ঘটিকার পর থেকে ০৯ জুলাই ২০২৫খ্রি. ভোর অনুমান ০৪০০ ঘটিকার পূর্বে যেকোন সময় ধৃত আসামি সহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা বাদীর পিতা ভিকটিমরে বাড়ীতে প্রবেশ করে ভিকটিম আফতাব উদ্দিনকে ডাকাডাকি করলে ভিকটিম দরজা খুলে বাহির হতেই তার মাথায় আঘাত করে হাত, পা, মুখ রশি দিয়ে বেধে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। পরবর্তীতে বাদীর ভায়ের স্ত্রীর রুমে ধৃত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা প্রবেশ করে ভিকটিম রিভাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে এবং ভাতিজিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চোখ বন্ধ করে থাকতে বলে স্টীলের শো-কেজের ড্রয়ার ভেঙ্গে সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ অর্থসহ সর্বমোট ১৭,৫৬,২০০/- (সতের লক্ষ ছাপান্ন হাজার দুইশত) টাকার মালামাল লুন্ঠন করে নিয়ে য়ায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মেয়ে বাদী হয়ে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানা ডাকাতিসহ হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮, তারিখ-১০ জুলাই ২০২৫খ্রি., ধারা- ৩৯৪/৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।ঘটনার পর থেকেই র্যাবের গোয়েন্দা দল আসামিদের আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এবং র্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া এর যৌথ আভিযানিক দল ১৪ জুন ২০২৬খ্রি. সন্ধ্যা অনুমান ১৯০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার সীড স্টোর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান পলাতক ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামি কাশেম সাখিদার (৩০), জেলা-বগুড়া‘কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বাক্ষরিত/-
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
মিডিয়া অফিসার
অধিনায়কের পক্ষে
আপনার মতামত লিখুন :