Agaminews
Dr. Neem Hakim

ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা, গ্রামে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং: রুমিন ফারহানা  


admin প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ / ১১
ঢাকায় ১-২ ঘণ্টা, গ্রামে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং: রুমিন ফারহানা  


‘‘ঢাকায় এক-দুই ঘণ্টা লোডশেডিং থাকলেও গ্রামে ১৪ ঘণ্টা গড়ায়। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকে না। এখন গ্যাস ছাড়া কারো চুলা জ্বালানোর পথ নেই।’’- জাতীয় সংসদে এ কথা বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।  

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নিজের প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের চিত্র তুলে ধরেন।  

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘‘আমার নির্বাচনি এলাকা আশুগঞ্জ একটা শিল্পনগরী। এখানে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, মিল-ফ্যাক্টরি আছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস যায় সারা দেশে, কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ গ্যাস পায় না।’’  

তিনি জানান, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে। অথচ তাঁর এলাকায় সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্যাস থাকে না। চুলা মিটমিট করে জ্বলে। এরপর ইচ্ছা হলে এক ঘণ্টার জন্য গ্যাস আসে, তারপর আর খবর থাকে না।  

গ্যাস সংকটের কারণ হিসেবে তিনি শীতকালে চাহিদা বৃদ্ধি ও অবৈধ সংযোগকে দায়ী করেন। এই সংসদ সদস্য বলেন, ২০১৬ সাল থেকে বাসাবাড়িতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ। তারপরও কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় অবৈধ সংযোগ চলছে। এতে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে, বৈধ গ্রাহকেরা গ্যাস পাচ্ছেন না। এখন এলপিজি ও বৈদ্যুতিক চুলাই ভরসা।

স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘‘আমাদের জীবনমান এত উন্নয়ন হয়েছে যে গ্রামের মানুষ ফ্ল্যাটে থাকে, উঠান পাকা। মাটির চুলায় রান্না করা এখন বাস্তবতাবিবর্জিত। ১ হাজার ৯০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ টাকার কমে পাওয়া যায় না। ঢাকায় এক-দুই ঘণ্টা লোডশেডিং থাকলেও গ্রামে ১৪ ঘণ্টা গড়ায়। গ্যাস ছাড়া চুলা জ্বালানোর পথ নেই। আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ পাবে, তারপর অন্য জায়গায় যাবে।’’ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্য তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, মেঘনা-তিতাস পাড়ের দেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, শচীন দেববর্মনের দেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া। কীর্তন আর বাউল গানের দেশ, ছানামুখী মিষ্টির অপরূপ স্বাদের দেশ এটি। দিগন্তজোড়া হাওরের দেশ, আবার তুচ্ছ বিষয়ে টেঁটা নিয়ে মাঠে নামার দেশও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির রাজধানী বলা হয় একে। অলি আহাদ ও ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের মতো সংগ্রামী চরিত্রের জন্ম এখানেই, যাদের কল্যাণে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে।





Source link

Uncategorized বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর